ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিরাজগঞ্জে মানসম্মত বালাইনাশক সরবরাহ ও আইন বাস্তবায়নে জেলা ভিজিল্যান্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত Logo বিদেশগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo সরকারি কর্মসূচিতে বায়োফার্টিফাইড ফসল অন্তর্ভূক্তকরণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo কৃষি কারিগরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo বগুড়ায় কৃষি উদ্যোক্তাদের মাঝে রপ্তানিযোগ্য পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্রপাতি বিতরণ Logo জেলা কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। Logo বগুড়া অঞ্চলে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল এবং প্রতিকূলতা সহনশীল জাত ও প্রযুক্তি পরিচিতি, উৎপাদন কৌশল ও সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo বগুড়া অঞ্চলের শস্যবিন্যাসে বিনা উদ্ভাবিত ফসলের জাত অর্ন্তভুক্তিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo পাবনা সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ফসলের বীজ, সার ও চেক বিতরণ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য Logo দেশে বর্তমানে সারের সংকট নেই, মজুদও পর্যাপ্ত রয়েছে: কৃষি সচিব

সিরাজগঞ্জে মানসম্মত বালাইনাশক সরবরাহ ও আইন বাস্তবায়নে জেলা ভিজিল্যান্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত

বিপ্লব সরকার, কৃতসা, পাবনা
  • আপডেট সময় ০৫:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২১১ বার পড়া হয়েছে

কৃষকের কাছে গুণগত মানসম্মত ওষুধ পৌঁছানো নিশ্চিতকরণ এবং বালাইনাশক আইন অনুসরণের লক্ষ্যে জেলা ভিজিল্যান্স টিমের এক বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বালাইনাশক আইন ২০১৮-এর প্রয়োগ, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও তদারকি এবং বাজারে আসা নতুন বালাইনাশক ওষুধের কার্যকর ও নিরাপদ ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এ সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা ভিজিল্যান্স টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক এ. কে. এম. মনজুরে মাওলা।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা (ডিএসসিও), সিনিয়র হর্টিকালচার অফিসার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (এডিডি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা। এ ছাড়া দেশের স্বনামধন্য বালাইনাশক প্রস্তুতকারী ও বিপণনকারী ৬০টিরও বেশি কোম্পানির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন ধরে রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সঠিক ও মানসম্মত বালাইনাশকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে কোনো অবস্থাতেই অনুমোদনহীন, নকল বা ভেজাল বালাইনাশক বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

সভায় বালাইনাশক আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা কঠোরভাবে মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং বিধি মোতাবেক সঠিক সময়ে লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নতুন নিবন্ধিত বালাইনাশকের পরিচিতি, সঠিক প্রয়োগপদ্ধতি এবং এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে কৃষক পর্যায়ে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর বিষয়ে পরিবেশক ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের তাগিদ দেওয়া হয়।

উপপরিচালক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কৃষকরা যেন কোনোভাবেই নিম্নমানের ওষুধ কিনে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে জেলা ভিজিল্যান্স টিম জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। আইন অমান্যকারী বা ভেজাল বালাইনাশক বিক্রয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

সিরাজগঞ্জে মানসম্মত বালাইনাশক সরবরাহ ও আইন বাস্তবায়নে জেলা ভিজিল্যান্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৫:৩৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কৃষকের কাছে গুণগত মানসম্মত ওষুধ পৌঁছানো নিশ্চিতকরণ এবং বালাইনাশক আইন অনুসরণের লক্ষ্যে জেলা ভিজিল্যান্স টিমের এক বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বালাইনাশক আইন ২০১৮-এর প্রয়োগ, লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও তদারকি এবং বাজারে আসা নতুন বালাইনাশক ওষুধের কার্যকর ও নিরাপদ ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এ সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা ভিজিল্যান্স টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), সিরাজগঞ্জের উপপরিচালক এ. কে. এম. মনজুরে মাওলা।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা (ডিএসসিও), সিনিয়র হর্টিকালচার অফিসার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (এডিডি), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা। এ ছাড়া দেশের স্বনামধন্য বালাইনাশক প্রস্তুতকারী ও বিপণনকারী ৬০টিরও বেশি কোম্পানির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন ধরে রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সঠিক ও মানসম্মত বালাইনাশকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে কোনো অবস্থাতেই অনুমোদনহীন, নকল বা ভেজাল বালাইনাশক বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

সভায় বালাইনাশক আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা কঠোরভাবে মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং বিধি মোতাবেক সঠিক সময়ে লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি নতুন নিবন্ধিত বালাইনাশকের পরিচিতি, সঠিক প্রয়োগপদ্ধতি এবং এগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে কৃষক পর্যায়ে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর বিষয়ে পরিবেশক ও কোম্পানির প্রতিনিধিদের তাগিদ দেওয়া হয়।

উপপরিচালক তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কৃষকরা যেন কোনোভাবেই নিম্নমানের ওষুধ কিনে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে জেলা ভিজিল্যান্স টিম জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। আইন অমান্যকারী বা ভেজাল বালাইনাশক বিক্রয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।