সর্বশেষ সংবাদ :
জাতীয় শোক দিবসের টুঙ্গিপাড়ার বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পরিষদ এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন কৃষিতে বরিশালের মৃত গৌরব পুনর্জীবিত করা হবে ইনশাআল্লাহ- কৃষিমন্ত্রী ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমাতেই দাম বৃদ্ধি// সার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ বিএনপির চরম নির্লজ্জতার প্রমাণ: কৃষিমন্ত্রী সারের দাম বৃদ্ধির ফলে উৎপাদনে প্রভাব পড়বে না// আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশেও কমানো হবে: কৃষিমন্ত্রী ইউরিয়া সারের দাম পুননির্ধারণ: প্রতিকেজি ৬ টাকা বাড়ান হয়েছে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকদের ১১ কোটি টাকার বীজ, সার সহায়তা দিয়েছে সরকার খাদ্যের জন্য কোনক্রমেই বিদেশের উপর নির্ভরশীল থাকা যাবে না: কৃষিমন্ত্রী প্রথমবার এআইপি সম্মাননাপ্রাপ্ত হলো ১৩জন কৃষি উদ্যোক্তা প্রথমবার কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) পাচ্ছেন ১৩ জন/ কৃষকদের উৎসাহ ও সম্মান জানাতে এআইপি সরকারের অনন্য উদ্যোগ: কৃষিমন্ত্রী নির্বাচন ছাড়া সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না বিএনপি : কৃষিমন্ত্রী

জেনে নিন-কোন গাছ কোথায় লাগাবেন

এবারের জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে-‘অনলি ওয়ান আর্থ : লিভিং সাস্টেইনেবিলি ইন হারমনি উইথ নেচার’। যার ভাবানুবাদ—‘একটাই পৃথিবী : প্রকৃতির ঐকতানে টেকসই জীবন’। বাংলাদেশে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষ-প্রাণে প্রকৃতি প্রতিবেশ, আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ’।

  চলছে বৃক্ষরোপণ অভিযান। জুন, জুলাই ও আগষ্ট মাস গাছ লাগানোর উপয়ুক্ত সময়। সঠিক স্থানে উপযুক্ত চারা লাগানোর এখনই সময়। আপনার নিকটের জেলা ও উপজেলার বৃক্ষমেলা থেকে চারা সংগ্রহ করতে পারেন। সুস্থ্য, সবল, মধ্যমাকৃতির, সঠিক জাতের চারা, সরকারি বে-সরকারী নার্সারী অথবা আপনার বিস্বস্থ কোন ব্যক্তিগত নার্সারী থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। পরবর্তী বংশধরদের কথা চিন্তা করে ফলদ ও ঔষুধি গাছের চারা লাগানোর প্রতি বেশি নজর দিতে পারেন। এতে ফল, ওষুধ এবং কাঠ সবই পাবেন। বন্যামুক্ত, আলোবাতাস চলাচল করতে পারে এবং সূর্যালোক পড়ে এমন জায়গায় চারা রোপণ করা উচিত। দো-আঁশ,বেলে দো-আঁশ, এটেল দো-আঁশ, উর্বর, সুনিষ্কাশিত ও উচু স্থানে চারা রোপন করা উত্তম। আসুন জেনে নেই কোথায় কোন চারা রোপণ করা উচিত:
বসতবাড়ির দক্ষিন পাশে – বসতবাড়ির দক্ষিন পাশে রোদ ও আলোর জন্য ছোট এবং কম ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। দক্ষিনের জন্য- সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে,পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, ডালিম, মেহেদী গাছ লাগাতে পারেন।
বসতবাড়ির পূর্ব – পশ্চিম পাশে – বসতবাড়ির পূর্ব -পশ্চিম পাশে মাঝারি উঁচু এবং মাঝারি ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। এতে সকাল সন্ধ্যায় বাড়ির আঙিনায় আলো থাকবে । পূর্ব-পশ্চিম পাশের জন্য– বাউকুল, আপেল কুল,সফেদা, আম্রপালি আম, লিচু, খেজুর, ডালিম, কলা, আতা, বেল, পেয়ারাসহ বিভিন্ন গাছ লাগাতে পারেন।
বসতবাড়ির উত্তর পাশে — বসতবাড়ির উত্তর পাশে বড় ও উচু গাছ লাগালে ঝড়-তুফান প্রতিরোধ হয়। এখানে- আম, কাঠাল, জাম, কামরাঙা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠানে – মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, স্কুল- কলেজ, অফিস- আদালত, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে ও আশেপাশে শোভাবর্ধনকারী এবং ছায়া দানকারী গাছ যেমন– দেবদারু, নারিকেল, সুপারি,তাল, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, আম, কাঠাল, লিচু গাছ রোপণ করতে পারেন।
পতিত জমিতেঃ- – সব ধরনের গাছ যেমন- আম, কাঠাল, জাম, কামরাঙা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
হাটবাজারে — ছায়াদান কারী গাছ রোপণ করা উচিৎ। এখানে- আম, কাঠাল, জাম, সেগুন, দেবদারু, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, কৃষ্ঞচূড়া, বট গাছ রোপণ করা যেতে পারে।
রাস্তার পাশেঃ– রাস্তার পাশে উচু ও ডালপালা ছাটাই করে রাখা যায় এমন গাছ রোপণ করতে হবে। যেমন-মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, বাবলা, ইপিল-ইপিল,শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
রেল লাইনের ধারে –রেল লাইনের ধারে – মেহগনি, শিশু, সেগুন, , আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
বাধের ধারেঃ–যেসব গাছের শিকড় শক্ত, বি¯তৃত যেমন- বট, আমড়া, বাঁশ, মেহগনি, শিশু, সেগুন, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর , কৃষ্ঞচূড়া, বাবলা,কড়ই ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
জমির আইলেঃ– যেসব গাছের শিকড় কম বি¯তৃত, কম ছায়া দানকারী,ডালপালা ছাটাই যোগ্য যেমন- মেহগনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর গাছ রোপণ করতে পারেন
নিচু জমিতেঃ– জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে এমন গাছ রোপণ করতে হবে। যেমন– পিটালি, বেত, মূর্তা, বাশঁ, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।
পুকুর পাড়ে – পুকুর পাড়ের মাটি না ভাংগে এবং শোভা বর্ধন করে যেমন- সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে,পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, ডালিম, কলা গাছ লাগাতে পারেন।
নদীর ধারে — পানি সহিয্ঞু, শক্ত, মজবুত ও বড় হয় এমন গাছ রোপন করা উচিত। যেমন– শিমুল, ছাতিম, পিটালি, বেত, মূর্তা, বাশঁ, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।
উপকুলীয় অঞ্চলেঃ–লবনাক্ততা সহ্য করতে পারে, হালকা পাতা বিশিষ্ট গাছ যেমন- সুন্দরী, ছৈলা, গরান, গেওয়া,গোলপাতা, মান্দার, কড়ই, বাবলা, নারিকেল রোপণ করা উচিত।
যেখানে চারা পাবেনঃ– সরকারি -বে সরকারি নার্সারি,বর্তমানে জেলা ও উপজেলার বৃক্ষমেলা, এনজিও নার্সারি, ব্যক্তিগত নার্সারি, বিএডিসির নার্সারি, কৃষি গবেষনার নার্সারিতে ভাল চারা পাওয়া যাবে। দ্রƒূত ফল পাওয়ার জন্য কলমের চারা রোপণ করা উত্তম। যে কোন পরামর্শের জন্য আপনার নিকটের কৃষি পরামর্শকেন্দ্র, উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।
লেখক- বকুল হাসান খান

 

Tag :

আপনার মুল্যবান কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.

ইমেইল সংরক্ষণ করুন এবং অন্যান্য তথ্য দিন

জাতীয় শোক দিবসের টুঙ্গিপাড়ার বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পরিষদ এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন

জেনে নিন-কোন গাছ কোথায় লাগাবেন

সময় : ০১:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুন ২০২২

এবারের জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে-‘অনলি ওয়ান আর্থ : লিভিং সাস্টেইনেবিলি ইন হারমনি উইথ নেচার’। যার ভাবানুবাদ—‘একটাই পৃথিবী : প্রকৃতির ঐকতানে টেকসই জীবন’। বাংলাদেশে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষ-প্রাণে প্রকৃতি প্রতিবেশ, আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ’।

  চলছে বৃক্ষরোপণ অভিযান। জুন, জুলাই ও আগষ্ট মাস গাছ লাগানোর উপয়ুক্ত সময়। সঠিক স্থানে উপযুক্ত চারা লাগানোর এখনই সময়। আপনার নিকটের জেলা ও উপজেলার বৃক্ষমেলা থেকে চারা সংগ্রহ করতে পারেন। সুস্থ্য, সবল, মধ্যমাকৃতির, সঠিক জাতের চারা, সরকারি বে-সরকারী নার্সারী অথবা আপনার বিস্বস্থ কোন ব্যক্তিগত নার্সারী থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। পরবর্তী বংশধরদের কথা চিন্তা করে ফলদ ও ঔষুধি গাছের চারা লাগানোর প্রতি বেশি নজর দিতে পারেন। এতে ফল, ওষুধ এবং কাঠ সবই পাবেন। বন্যামুক্ত, আলোবাতাস চলাচল করতে পারে এবং সূর্যালোক পড়ে এমন জায়গায় চারা রোপণ করা উচিত। দো-আঁশ,বেলে দো-আঁশ, এটেল দো-আঁশ, উর্বর, সুনিষ্কাশিত ও উচু স্থানে চারা রোপন করা উত্তম। আসুন জেনে নেই কোথায় কোন চারা রোপণ করা উচিত:
বসতবাড়ির দক্ষিন পাশে – বসতবাড়ির দক্ষিন পাশে রোদ ও আলোর জন্য ছোট এবং কম ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। দক্ষিনের জন্য- সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে,পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, ডালিম, মেহেদী গাছ লাগাতে পারেন।
বসতবাড়ির পূর্ব – পশ্চিম পাশে – বসতবাড়ির পূর্ব -পশ্চিম পাশে মাঝারি উঁচু এবং মাঝারি ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। এতে সকাল সন্ধ্যায় বাড়ির আঙিনায় আলো থাকবে । পূর্ব-পশ্চিম পাশের জন্য– বাউকুল, আপেল কুল,সফেদা, আম্রপালি আম, লিচু, খেজুর, ডালিম, কলা, আতা, বেল, পেয়ারাসহ বিভিন্ন গাছ লাগাতে পারেন।
বসতবাড়ির উত্তর পাশে — বসতবাড়ির উত্তর পাশে বড় ও উচু গাছ লাগালে ঝড়-তুফান প্রতিরোধ হয়। এখানে- আম, কাঠাল, জাম, কামরাঙা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
প্রতিষ্ঠানে – মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, স্কুল- কলেজ, অফিস- আদালত, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে ও আশেপাশে শোভাবর্ধনকারী এবং ছায়া দানকারী গাছ যেমন– দেবদারু, নারিকেল, সুপারি,তাল, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, আম, কাঠাল, লিচু গাছ রোপণ করতে পারেন।
পতিত জমিতেঃ- – সব ধরনের গাছ যেমন- আম, কাঠাল, জাম, কামরাঙা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
হাটবাজারে — ছায়াদান কারী গাছ রোপণ করা উচিৎ। এখানে- আম, কাঠাল, জাম, সেগুন, দেবদারু, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, কৃষ্ঞচূড়া, বট গাছ রোপণ করা যেতে পারে।
রাস্তার পাশেঃ– রাস্তার পাশে উচু ও ডালপালা ছাটাই করে রাখা যায় এমন গাছ রোপণ করতে হবে। যেমন-মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ঞচূড়া, বাবলা, ইপিল-ইপিল,শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
রেল লাইনের ধারে –রেল লাইনের ধারে – মেহগনি, শিশু, সেগুন, , আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ,নিম, পাম, শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
বাধের ধারেঃ–যেসব গাছের শিকড় শক্ত, বি¯তৃত যেমন- বট, আমড়া, বাঁশ, মেহগনি, শিশু, সেগুন, আকাশমনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর , কৃষ্ঞচূড়া, বাবলা,কড়ই ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে পারেন।
জমির আইলেঃ– যেসব গাছের শিকড় কম বি¯তৃত, কম ছায়া দানকারী,ডালপালা ছাটাই যোগ্য যেমন- মেহগনি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর গাছ রোপণ করতে পারেন
নিচু জমিতেঃ– জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে এমন গাছ রোপণ করতে হবে। যেমন– পিটালি, বেত, মূর্তা, বাশঁ, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।
পুকুর পাড়ে – পুকুর পাড়ের মাটি না ভাংগে এবং শোভা বর্ধন করে যেমন- সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে,পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, ডালিম, কলা গাছ লাগাতে পারেন।
নদীর ধারে — পানি সহিয্ঞু, শক্ত, মজবুত ও বড় হয় এমন গাছ রোপন করা উচিত। যেমন– শিমুল, ছাতিম, পিটালি, বেত, মূর্তা, বাশঁ, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।
উপকুলীয় অঞ্চলেঃ–লবনাক্ততা সহ্য করতে পারে, হালকা পাতা বিশিষ্ট গাছ যেমন- সুন্দরী, ছৈলা, গরান, গেওয়া,গোলপাতা, মান্দার, কড়ই, বাবলা, নারিকেল রোপণ করা উচিত।
যেখানে চারা পাবেনঃ– সরকারি -বে সরকারি নার্সারি,বর্তমানে জেলা ও উপজেলার বৃক্ষমেলা, এনজিও নার্সারি, ব্যক্তিগত নার্সারি, বিএডিসির নার্সারি, কৃষি গবেষনার নার্সারিতে ভাল চারা পাওয়া যাবে। দ্রƒূত ফল পাওয়ার জন্য কলমের চারা রোপণ করা উত্তম। যে কোন পরামর্শের জন্য আপনার নিকটের কৃষি পরামর্শকেন্দ্র, উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।
লেখক- বকুল হাসান খান