ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কৃষি কারিগরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo বগুড়ায় কৃষি উদ্যোক্তাদের মাঝে রপ্তানিযোগ্য পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্রপাতি বিতরণ Logo জেলা কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। Logo বগুড়া অঞ্চলে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল এবং প্রতিকূলতা সহনশীল জাত ও প্রযুক্তি পরিচিতি, উৎপাদন কৌশল ও সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত Logo বগুড়া অঞ্চলের শস্যবিন্যাসে বিনা উদ্ভাবিত ফসলের জাত অর্ন্তভুক্তিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo পাবনা সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ফসলের বীজ, সার ও চেক বিতরণ উদ্বোধন করলেন সংসদ সদস্য Logo দেশে বর্তমানে সারের সংকট নেই, মজুদও পর্যাপ্ত রয়েছে: কৃষি সচিব Logo পাবনায় ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন Logo রোপা আমন ধানের ব্লক প্রদর্শনীর চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু Logo পাবনায় ০২ দিনব্যাপী কৃষি উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ডিএই মহাপরিচালক
মাল্টা ও কমলা চাষী

মাল্টা ও কমলা চাষী রতন মোল্লা একজন্য সফল উদ্যোত্তা

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ২১৮ বার পড়া হয়েছে

মাল্টা ও কমলা—ভিটামিন ‘সি’-সমৃদ্ধ এক অনন্য রসালো ফল।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ফল যোগ করে বাড়তি পুষ্টি, বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হজমে আনে স্বস্তি আর ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে দেয় সতেজতা।

একসময় চীন, ভারত, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, স্পেন এবং ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টায় ব্যাপকভাবে চাষ হতো এই ফলের। কিন্তু সময়ের সাথে প্রমাণিত হয়েছে—বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়াও মাল্টা ও কমলা চাষের জন্য সমান উপযোগী। তাই দেশজুড়ে দিন দিন বাড়ছে এর আবাদ, গড়ে উঠছে নতুন সম্ভাবনার বাগান।

ঠিক তেমনই এক সম্ভাবনার গল্পকে সত্যি করেছেন মোঃ রতন মোল্লা। আটঘরিয়া উপজেলা, পাবনা জেলার সমতল মাটিতেই তিনি গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের মাল্টা ও কমলার বাগান। হয়েছেন সফল একজন তরুণ উদ্যোক্তা।

২০১৯ সালে ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে, কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং সফল বাগানিদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার যাত্রা। প্রথমে মাত্র ৭০টি মাল্টা চারা রোপণ করেছিলেন। ছোট্ট সেই উদ্যোগ আজ বিস্তৃত হয়ে পেরিয়েছে ১০ বিঘার বিশাল বাগান।

কৃষি বিভাগ বলছে রতন মোল্লা পাবনার সমতল মাটিতে মাল্টা ও কমলা বাগান তৈরি করে সফল হয়েছেন। আমরা তাকে কারিগরি সকল সহযোগীতা করে যাচ্ছি । এ জন্য নতুন নতুন উদ্যেক্তা তৈরিতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রণোদনা বিতরণ করছে।

আজ তার বাগানে ছোট ছোট সবুজ গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে বাহারি রঙের ফল। মাটিতেই মিলছে বিদেশি স্বাদের সোনালি সাফল্য। বিদেশি ফলের এমন বিশাল বাগান দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। কেউ ফল কিনছেন, কেউবা স্বপ্ন দেখছেন নিজস্ব বাগান গড়ার। এই গল্প শুধু একজন কৃষকের নয়—এটি একটি সম্ভাবনার গল্প, সাহসের গল্প, আর বাংলাদেশের কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মোচনের গল্প।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

মাল্টা ও কমলা চাষী

মাল্টা ও কমলা চাষী রতন মোল্লা একজন্য সফল উদ্যোত্তা

আপডেট সময় ০৭:০৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মাল্টা ও কমলা—ভিটামিন ‘সি’-সমৃদ্ধ এক অনন্য রসালো ফল।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ফল যোগ করে বাড়তি পুষ্টি, বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হজমে আনে স্বস্তি আর ক্লান্ত শরীরে ফিরিয়ে দেয় সতেজতা।

একসময় চীন, ভারত, মায়ানমার, ভিয়েতনাম, স্পেন এবং ইউরোপের দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টায় ব্যাপকভাবে চাষ হতো এই ফলের। কিন্তু সময়ের সাথে প্রমাণিত হয়েছে—বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়াও মাল্টা ও কমলা চাষের জন্য সমান উপযোগী। তাই দেশজুড়ে দিন দিন বাড়ছে এর আবাদ, গড়ে উঠছে নতুন সম্ভাবনার বাগান।

ঠিক তেমনই এক সম্ভাবনার গল্পকে সত্যি করেছেন মোঃ রতন মোল্লা। আটঘরিয়া উপজেলা, পাবনা জেলার সমতল মাটিতেই তিনি গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের মাল্টা ও কমলার বাগান। হয়েছেন সফল একজন তরুণ উদ্যোক্তা।

২০১৯ সালে ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে, কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং সফল বাগানিদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার যাত্রা। প্রথমে মাত্র ৭০টি মাল্টা চারা রোপণ করেছিলেন। ছোট্ট সেই উদ্যোগ আজ বিস্তৃত হয়ে পেরিয়েছে ১০ বিঘার বিশাল বাগান।

কৃষি বিভাগ বলছে রতন মোল্লা পাবনার সমতল মাটিতে মাল্টা ও কমলা বাগান তৈরি করে সফল হয়েছেন। আমরা তাকে কারিগরি সকল সহযোগীতা করে যাচ্ছি । এ জন্য নতুন নতুন উদ্যেক্তা তৈরিতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রণোদনা বিতরণ করছে।

আজ তার বাগানে ছোট ছোট সবুজ গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে বাহারি রঙের ফল। মাটিতেই মিলছে বিদেশি স্বাদের সোনালি সাফল্য। বিদেশি ফলের এমন বিশাল বাগান দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। কেউ ফল কিনছেন, কেউবা স্বপ্ন দেখছেন নিজস্ব বাগান গড়ার। এই গল্প শুধু একজন কৃষকের নয়—এটি একটি সম্ভাবনার গল্প, সাহসের গল্প, আর বাংলাদেশের কৃষির নতুন দিগন্ত উন্মোচনের গল্প।