পাবনায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্পের অগ্রগতি মনিটরিং: এয়ার ফ্লো মেশিনের কার্যকারিতায় সন্তোষ
- আপডেট সময় ১১:২৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
- / ৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্প কর্তৃক পাবনা জেলায় প্রকল্পের অগ্রগতি মনিটরিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ জুন রোজ শনিবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান-এর নেতৃত্বে এই মনিটরিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং-এর পরিচালক জনাব মো. ওবায়দুর রহমান মন্ডল, ডিএই পাবনা জেলার উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ১০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
প্রতিনিধি দলের সদস্যগণ পাবনা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রকল্প কর্তৃক স্থাপিত আধুনিক **‘এয়ার ফ্লো মেশিন’** বা বায়ু প্রবাহ যন্ত্রগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পেঁয়াজ পচে যাওয়ার যে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা রোধে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
প্রতিনিধি দল মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সাথে কথা বলেন এবং এয়ার ফ্লো মেশিন দিয়ে সংরক্ষিত পেঁয়াজ দীর্ঘ সময় পরও অত্যন্ত ভালো ও তাজা অবস্থায় দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রযুক্তি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিলে পেঁয়াজের অপচয় রোধ হবে এবং কৃষক লাভবান হবেন।
“জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় ব্যবহৃত এয়ার ফ্লো মেশিন পেঁয়াজের গুণগত মান বজায় রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখছে।”
মনিটরিং ও মাঠ পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মাহফুজুর রহমান ও ড. মো. জামাল হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং)।
তারা প্রতিনিধি দলকে প্রকল্পের সামগ্রিক লক্ষ্য, কৃষকদের সাড়া এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অবহিত করেন। পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী এই প্রযুক্তি পাবনাসহ দেশের প্রধান পেঁয়াজ উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।










